আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: এক সময় বর্ষার দিন এলেই গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে ক্ষই খাওয়ার ধুম পড়ে যেত। মুড়ি, ক্ষই ও গুড় কিংবা নারকেলের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবারের সবাই মিলে খাওয়ার সেই চিরচেনা দৃশ্য এখন আর তেমন দেখা যায় না। আধুনিক খাবারের দাপটে বর্ষাকালের এই ঐতিহ্যবাহী খাবারটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য, আগে বর্ষার দিনে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে বিকেলের নাশতায় ক্ষই ছিল পরিবারের সবার পছন্দের খাবার। বাড়িতে অতিথি এলে ক্ষই ও গুড় দিয়ে আপ্যায়নও ছিল একটি প্রচলিত রীতি। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফাস্টফুড, বিস্কুট, চিপসসহ নানা ধরনের প্যাকেটজাত খাবারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষইয়ের কদর অনেকটাই কমে গেছে।
আমতলী উপজেলার গোজখালীর বাসিন্দা মো. রফিক আকন জানান, বর্তমানে খুব কম পরিবারই নিয়মিত ক্ষই কিনে বা তৈরি করে। নতুন প্রজন্মের অনেকেই ক্ষইয়ের স্বাদ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত নয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে ক্ষইয়ের বিক্রি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়লেও এখন সেই চাহিদা আর নেই। ফলে অনেকেই ক্ষই তৈরি বা বিক্রি করা ছেড়ে দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও সহজপাচ্য এই ঐতিহ্যবাহী খাবারকে টিকিয়ে রাখতে পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণে সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাহলেই বর্ষাকালের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ক্ষই খাওয়ার পুরোনো ঐতিহ্য আবারও নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরে আসতে পারে।
প্রতিষ্ঠাতা চেয়াম্যান ও সম্পাদক : এইচ এম সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: আর এইচ এস সিদ্দিক (গাজীপুর),নির্বাহী সম্পাদক: শারমিন আক্তার পলি,
প্রধান বার্তা সম্পাদক:........
এস এম সিদ্দিকুর রহমান সম্পাদিত দৈনিক "কাগজের ডাক" নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত।
ওয়েব সাইড: www.dailykagojerdak.Com, ইমেইল : kagojerd@gmail.com,ফোন নংঃ-+৮৮০৯৬৯৬০০৭৯১১,বার্তা সম্পাদক ফোন:৮৮০৯৬৯৬০০৭৯১১
★বিনা অনুমতিতে সাইটের সংবাদ, আলোক চিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি★