ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
কাগজের ডাক:
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

গলাচিপার চর চন্দ্রাইলে পাঁচ দোকান পুড়ে ছাই তিন দোকান আংশিক ক্ষতি।

  • Kagojer Dak
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬০৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃ বাপ্পি মিয়া,গলাচিপা মেডিক্যাল প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর চরন্দ্রাইল বাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাঁচটি দোকান এবং তিনটি আংশিক ক্ষতি। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে গজালিয়া ইউনিয়নের চর চন্দ্রাইল স্কুল বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত এবং আরও তিনটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ৫০ থেকে ৬০লাখ টাকা বলে ধারণা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে বাজারের দোকানগুলোতে আগুন জ্বলতে দেখে প্রথম চিৎকার দেন মসজিদের তাবলিগ জামায়াতের সদস্য মো. সোহেল মিয়া। তার চিৎকারে এবং পরবর্তীতে মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। তাৎক্ষণিকভাবে তারা বালতি ও হাতের কাছে থাকা সরঞ্জাম দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, মুহূর্তের মধ্যে তা একটি দোকান থেকে অন্যটিতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে পাঁচটি দোকান এবং সেগুলোর সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়।

অগ্নিকাণ্ডে বাহার চৌকিদারের চা-পান ও কসমেটিকস, রুবেল খানের কসমেটিকস, অলিউল্লাহ খানের কম্পিউটার ও ফটোকপি এবং খোকন গাজীর চায়ের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এছাড়া রেজাউল গাজীর কীটনাশক, হাফেজ গাজীর ফার্মেসী ও আনোয়ার গাজীর টেইলার্সের দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বাহার চৌকিদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। দোকানের আয়ের ওপরই আমাদের সংসার চলত। এখন আমরা কোথায় যাব, কী করব কিছুই জানি না। সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা পেতে পারেন।

এদিকে, গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন সাব-অফিসার মো. কামাল হোসেন বলেন, “রাত ৩টার দিকে ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হই। কিন্তু পথিমধ্যে জানতে পারি, স্থানীয়রাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। আমরা পৌঁছানোর আগেই দোকানগুলো পুড়ে যায়।” বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা

গলাচিপার চর চন্দ্রাইলে পাঁচ দোকান পুড়ে ছাই তিন দোকান আংশিক ক্ষতি।

আপডেট সময় : ০৯:২৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

মোঃ বাপ্পি মিয়া,গলাচিপা মেডিক্যাল প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর চরন্দ্রাইল বাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাঁচটি দোকান এবং তিনটি আংশিক ক্ষতি। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে গজালিয়া ইউনিয়নের চর চন্দ্রাইল স্কুল বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত এবং আরও তিনটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ৫০ থেকে ৬০লাখ টাকা বলে ধারণা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে বাজারের দোকানগুলোতে আগুন জ্বলতে দেখে প্রথম চিৎকার দেন মসজিদের তাবলিগ জামায়াতের সদস্য মো. সোহেল মিয়া। তার চিৎকারে এবং পরবর্তীতে মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। তাৎক্ষণিকভাবে তারা বালতি ও হাতের কাছে থাকা সরঞ্জাম দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, মুহূর্তের মধ্যে তা একটি দোকান থেকে অন্যটিতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে পাঁচটি দোকান এবং সেগুলোর সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়।

অগ্নিকাণ্ডে বাহার চৌকিদারের চা-পান ও কসমেটিকস, রুবেল খানের কসমেটিকস, অলিউল্লাহ খানের কম্পিউটার ও ফটোকপি এবং খোকন গাজীর চায়ের দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এছাড়া রেজাউল গাজীর কীটনাশক, হাফেজ গাজীর ফার্মেসী ও আনোয়ার গাজীর টেইলার্সের দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বাহার চৌকিদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। দোকানের আয়ের ওপরই আমাদের সংসার চলত। এখন আমরা কোথায় যাব, কী করব কিছুই জানি না। সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা পেতে পারেন।

এদিকে, গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন সাব-অফিসার মো. কামাল হোসেন বলেন, “রাত ৩টার দিকে ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হই। কিন্তু পথিমধ্যে জানতে পারি, স্থানীয়রাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। আমরা পৌঁছানোর আগেই দোকানগুলো পুড়ে যায়।” বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।