ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo আমতলীর গুলিসাখালী ইউনিয়নে মেম্বর পদে প্রার্থী মিজান সরদার, দোয়া ও সমর্থন কামনা Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক
কাগজের ডাক:
Logo আমতলীর গুলিসাখালী ইউনিয়নে মেম্বর পদে প্রার্থী মিজান সরদার, দোয়া ও সমর্থন কামনা Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক

গলাচিপায় পাকা রাস্তার দাবিতে মানববন্ধন

  • Kagojer Dak
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬২৩ বার পড়া হয়েছে
  • মোঃ বাপ্পি মিয়া , গলাচিপা(পটুয়াখালী)

একটি পাকা রাস্তার অভাবে বিবাহ ভেঙে যায় স্থানীয় মেয়েদের, সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দড়ি বাহেরচর গ্রামের প্রায় ৫ কিলোমিটারের কাঁচা সড়কটি পাকার করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। স্থানীয়রা জানান গ্রামের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না জরুরি সেবার কোনো গাড়ি। এমনকি গোরস্থানে যেতেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় এলাকাবাসীর। কাঁদা মাড়িয়েই স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা,ও মসজিদে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, আমখোলা বাজারের স্লুইজগেট থেকে কলাগাছিয়া খেয়াঘাটের রাস্তাটি মাটি ও বৃষ্টির পানির সংমিশ্রণে কাদার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। তৎকালীন চেয়ারম্যান মরহুম ছালাম সিকদার স্থানীয়দের চলাচলে এই কাঁচা সড়কটি নির্মাণ করেন। স্বাধীনতার এত বছর পরও সংস্কার করা হয়নি রাস্তাটি। নির্বাচন আসলে জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটের পর তাদের দেখা মেলে না এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, আমরা সকলে মিলে একাধিকবার স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বার, প্রশাসন, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য দাবি জানিয়েছেন বার বার। কিন্তু কেউ কোনো কাজ করেননি এবং কেউ কোনো কথা রাখেনি তাই ভোগান্তি নিয়েই এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় সমাজ সেবক মোঃ আবু তাহের মৃধা বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম ছালাম সিকদার এই কাঁচা রাস্তাটি নির্মাণ করে দেন। সামান্য বৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যায়। এছাড়াও দুই পাশের মাঠের সব ফসল এই রাস্তা দিয়ে বাড়ি নিতে হয়। এই রাস্তা দিয়েই কৃষি পণ্য আমখোলা, গলাচিপা, পটুয়াখালী বাজারজাত করা হয়। আমাদের এ কষ্ট কবে দূর হবে তার কোনো ঠিক নেই। দড়ি বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমির রঞ্জন শীল বলেন, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলতে খুবই সমস্যা হয়। জরুরি সেবার কোনো গাড়ি বা যেকোনো গাড়ি গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। মুসলিম বা হিন্দু কেউ মারা গেলে কাঁদার কারণে সৎকার, দাফন-কাফনে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। যেতে হয় নদী পথে। অতি প্রাচীন রাস্তাটি পাকাকরণ এখন সময়ের দাবি। ওই এলাকার বাসিন্দা মো. ইদ্রিস খাঁন বলেন, আমখোলা বাজারের ওয়াপদার স্লুইসগেট থেকে দড়ি বাহেরচর হয়ে কলাগাছিয়া খেঁয়া ঘাট পর্যন্ত কাঁচা সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৃৃষ্টির দিনে রাস্তাটি ব্যবহারের একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ভালো কোনো মেয়ে ছেলের জন্য বিবাহের প্রস্তাব আসে না। ভালো কোনো প্রস্তাব আসলেও কাঁচা রাস্তার কারনে ফিরে যায়।
এবিষয়ে আমখোলা ইউনিয়নের প্রশাসক মো. ফোরকান মোল্লা বলেন, রাস্তাটি অনেক পুরাতন, আমি নতুন এই ইউনিয়নের দায়িত্ব পেয়েছি। আমখোলা বাজার থেকে দড়ি বাহেরচর হয়ে কলাগাছিযা খেঁয়া ঘাটের রাস্তাটি পাকাকরণে আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো।
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হবে। #

জনপ্রিয় সংবাদ

আমতলীর গুলিসাখালী ইউনিয়নে মেম্বর পদে প্রার্থী মিজান সরদার, দোয়া ও সমর্থন কামনা

গলাচিপায় পাকা রাস্তার দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১২:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • মোঃ বাপ্পি মিয়া , গলাচিপা(পটুয়াখালী)

একটি পাকা রাস্তার অভাবে বিবাহ ভেঙে যায় স্থানীয় মেয়েদের, সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দড়ি বাহেরচর গ্রামের প্রায় ৫ কিলোমিটারের কাঁচা সড়কটি পাকার করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। স্থানীয়রা জানান গ্রামের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না জরুরি সেবার কোনো গাড়ি। এমনকি গোরস্থানে যেতেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় এলাকাবাসীর। কাঁদা মাড়িয়েই স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা,ও মসজিদে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, আমখোলা বাজারের স্লুইজগেট থেকে কলাগাছিয়া খেয়াঘাটের রাস্তাটি মাটি ও বৃষ্টির পানির সংমিশ্রণে কাদার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। তৎকালীন চেয়ারম্যান মরহুম ছালাম সিকদার স্থানীয়দের চলাচলে এই কাঁচা সড়কটি নির্মাণ করেন। স্বাধীনতার এত বছর পরও সংস্কার করা হয়নি রাস্তাটি। নির্বাচন আসলে জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটের পর তাদের দেখা মেলে না এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, আমরা সকলে মিলে একাধিকবার স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বার, প্রশাসন, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য দাবি জানিয়েছেন বার বার। কিন্তু কেউ কোনো কাজ করেননি এবং কেউ কোনো কথা রাখেনি তাই ভোগান্তি নিয়েই এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় সমাজ সেবক মোঃ আবু তাহের মৃধা বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম ছালাম সিকদার এই কাঁচা রাস্তাটি নির্মাণ করে দেন। সামান্য বৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যায়। এছাড়াও দুই পাশের মাঠের সব ফসল এই রাস্তা দিয়ে বাড়ি নিতে হয়। এই রাস্তা দিয়েই কৃষি পণ্য আমখোলা, গলাচিপা, পটুয়াখালী বাজারজাত করা হয়। আমাদের এ কষ্ট কবে দূর হবে তার কোনো ঠিক নেই। দড়ি বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমির রঞ্জন শীল বলেন, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলতে খুবই সমস্যা হয়। জরুরি সেবার কোনো গাড়ি বা যেকোনো গাড়ি গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। মুসলিম বা হিন্দু কেউ মারা গেলে কাঁদার কারণে সৎকার, দাফন-কাফনে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। যেতে হয় নদী পথে। অতি প্রাচীন রাস্তাটি পাকাকরণ এখন সময়ের দাবি। ওই এলাকার বাসিন্দা মো. ইদ্রিস খাঁন বলেন, আমখোলা বাজারের ওয়াপদার স্লুইসগেট থেকে দড়ি বাহেরচর হয়ে কলাগাছিয়া খেঁয়া ঘাট পর্যন্ত কাঁচা সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৃৃষ্টির দিনে রাস্তাটি ব্যবহারের একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ভালো কোনো মেয়ে ছেলের জন্য বিবাহের প্রস্তাব আসে না। ভালো কোনো প্রস্তাব আসলেও কাঁচা রাস্তার কারনে ফিরে যায়।
এবিষয়ে আমখোলা ইউনিয়নের প্রশাসক মো. ফোরকান মোল্লা বলেন, রাস্তাটি অনেক পুরাতন, আমি নতুন এই ইউনিয়নের দায়িত্ব পেয়েছি। আমখোলা বাজার থেকে দড়ি বাহেরচর হয়ে কলাগাছিযা খেঁয়া ঘাটের রাস্তাটি পাকাকরণে আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো।
এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হবে। #