ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
কাগজের ডাক:
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

স্কুল ফিডিং প্রকল্পের কাঁচা কলা, পঁচা ডিম ও রুটি দেয়ার অভিযোগ

  • Kagojer Dak
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৮৫ বার পড়া হয়েছে

 আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা।

তালতলী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের শিশু শিক্ষার্থীদের পচা ডিম ও রুটি সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার বিরুদ্ধে। এতে শিশু শিক্ষার্থীর মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া এবং শিক্ষায় অগ্রগতির মুখ থুবরে পড়ার উপকৃম হয়েছে। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

জানাগেছে, উপকুলীয় অঞ্চলের শিশু শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় মনোনিবেশ এবং পুষ্টি চাহিদা পুরণে সরকার স্কুল ফিডিং প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। তালতলী উপজেলার ৭৯ টি বিদ্যালয়ের ৭ হাজার ২৭০ টি শিশুকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থী দৈনিক একটি ডিম, রুটি, কলা, বিস্কুট দুধ দেয়া হবে। এর মধ্যে ডিম, কলা ও রুটি ক্রয়ের দায়িত্ব পান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা। গত ২৯ মার্চ ওই সংস্থা ডিম, রুটি ও কলা সরবরাহ শুরু করেন। কিন্তু শুরুতেই কাচা কলা, পঁচা ডিম ও রুটি সরবরাহের অভিযোগ ওঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অভিযোগ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দুই দিনের রুটি এক সাথে বিদ্যালয়ে দিয়ে যান। মেয়াদ থাকলেও ওই রুটি পঁচা। এছাড়া কাটা ডিম সরবরাহ করলেও ওই ডিমের মধ্য থেকে অধিকাংশ ডিম পঁচা । সিদ্ধ করার সময় পঁচা ডিম ধরা না পরলেও বাচ্চারা যখন খেতে শুরু করে তখন দুর্গন্ধ বেড়িয়ে আসে। তখন এগুলো খাওয়ার উপযোগী থাকে না।

সরদারিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন ও মারিয়া জানান, ডিম ও রুটি পঁচা। খাওয়ার উপযোগী না, তাই ফেলে দিয়েছি। তারা আরো জানান, আমরাতো ডিম, রুটি ও কলা সরকারের কাছে খেতে চাইনি। যখন দিয়েছে তা পঁচা হবে কেন?

ছাতনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, পঁচা ডিম ও রুটি না খেয়ে ফেলে দিয়েছি।

গাবতলী রফিক মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, সরবরাহকৃত ডিমের মধ্যে বেশ কিছু পঁচা ডিম বের হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দুই দিন আগে রুটি দিয়ে গেলে ওই রুটি ভালো থাকে না। রুটির ওপর ফাঙ্গাশ পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। তখন আর খাওয়ার উপযোগী থাকে না।

বিদ্যালয়ে খাবার সরবরাহকারী মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা আমাকে যে পন্য সরবরাহ করেছে আমি তা বিদ্যালয়ে পৌছে দিয়েছি। তবে ডিম ও রুটি  পঁচার বিষয়টি আমাকেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প পরিচালক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, ডিমতো কেউ নিজে থেকে পেড়ে দেয়না।  শুনেছি কিছু পঁচা ডিম বের হয়েছে।  তবে পরবর্তি সপ্তাহ থেকে মান যাছাই করে ভালো পন্য দেয়া হবে।

তালতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল বাশার বলেন, অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কাচা কলা, পচা ডিম ও রুটির বিষয়ে আমাকে অবহিত করেছেন। আমি সকল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছি কোন মতেই পঁচা ডিম ও রুটি শিশুদের হাতে তুলে দেয়া যাবে না।  তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে করনীয় নিয়ে প্রধান শিক্ষকদের সাথে আগামী সোমবার সভা ডাকা হয়েছে।

গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা

স্কুল ফিডিং প্রকল্পের কাঁচা কলা, পঁচা ডিম ও রুটি দেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:১৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

 আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা।

তালতলী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের শিশু শিক্ষার্থীদের পচা ডিম ও রুটি সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার বিরুদ্ধে। এতে শিশু শিক্ষার্থীর মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া এবং শিক্ষায় অগ্রগতির মুখ থুবরে পড়ার উপকৃম হয়েছে। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

জানাগেছে, উপকুলীয় অঞ্চলের শিশু শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় মনোনিবেশ এবং পুষ্টি চাহিদা পুরণে সরকার স্কুল ফিডিং প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। তালতলী উপজেলার ৭৯ টি বিদ্যালয়ের ৭ হাজার ২৭০ টি শিশুকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থী দৈনিক একটি ডিম, রুটি, কলা, বিস্কুট দুধ দেয়া হবে। এর মধ্যে ডিম, কলা ও রুটি ক্রয়ের দায়িত্ব পান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা। গত ২৯ মার্চ ওই সংস্থা ডিম, রুটি ও কলা সরবরাহ শুরু করেন। কিন্তু শুরুতেই কাচা কলা, পঁচা ডিম ও রুটি সরবরাহের অভিযোগ ওঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অভিযোগ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দুই দিনের রুটি এক সাথে বিদ্যালয়ে দিয়ে যান। মেয়াদ থাকলেও ওই রুটি পঁচা। এছাড়া কাটা ডিম সরবরাহ করলেও ওই ডিমের মধ্য থেকে অধিকাংশ ডিম পঁচা । সিদ্ধ করার সময় পঁচা ডিম ধরা না পরলেও বাচ্চারা যখন খেতে শুরু করে তখন দুর্গন্ধ বেড়িয়ে আসে। তখন এগুলো খাওয়ার উপযোগী থাকে না।

সরদারিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন ও মারিয়া জানান, ডিম ও রুটি পঁচা। খাওয়ার উপযোগী না, তাই ফেলে দিয়েছি। তারা আরো জানান, আমরাতো ডিম, রুটি ও কলা সরকারের কাছে খেতে চাইনি। যখন দিয়েছে তা পঁচা হবে কেন?

ছাতনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, পঁচা ডিম ও রুটি না খেয়ে ফেলে দিয়েছি।

গাবতলী রফিক মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, সরবরাহকৃত ডিমের মধ্যে বেশ কিছু পঁচা ডিম বের হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দুই দিন আগে রুটি দিয়ে গেলে ওই রুটি ভালো থাকে না। রুটির ওপর ফাঙ্গাশ পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। তখন আর খাওয়ার উপযোগী থাকে না।

বিদ্যালয়ে খাবার সরবরাহকারী মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা আমাকে যে পন্য সরবরাহ করেছে আমি তা বিদ্যালয়ে পৌছে দিয়েছি। তবে ডিম ও রুটি  পঁচার বিষয়টি আমাকেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প পরিচালক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, ডিমতো কেউ নিজে থেকে পেড়ে দেয়না।  শুনেছি কিছু পঁচা ডিম বের হয়েছে।  তবে পরবর্তি সপ্তাহ থেকে মান যাছাই করে ভালো পন্য দেয়া হবে।

তালতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল বাশার বলেন, অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কাচা কলা, পচা ডিম ও রুটির বিষয়ে আমাকে অবহিত করেছেন। আমি সকল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছি কোন মতেই পঁচা ডিম ও রুটি শিশুদের হাতে তুলে দেয়া যাবে না।  তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে করনীয় নিয়ে প্রধান শিক্ষকদের সাথে আগামী সোমবার সভা ডাকা হয়েছে।