ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
কাগজের ডাক:
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

আমতলীতে কুল চাষে ব্যাপক সফলতার দারপ্রান্তে চাষী রাসেল মৃধা, তিনি যেন ব্যর্থতার মাঝেই সফলতা খুজে পেয়েছেন।

  • Kagojer Dak
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৭৪ বার পড়া হয়েছে
  • সোহেল ফরাজী,আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া গ্রামের কৃষক মো.আবুবকর সিদ্দিক রাসেল মৃধা কুল চাষে ব্যতিক্রমী সাফল্য দেখিয়ে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তাই তিনি যেন বারবার ফলজ চাষে ব্যর্থ হয়ে নতুন করে ব্যর্থতার মাঝেই সফলতা খুজে পেয়েছেন।এ এক ফলজের অন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তিনি আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া গ্রামের সন্তান মো. জালাল মৃধার ছেলে মো. রাসেল মৃধা পারিবারিকভাবে কৃষিকাজে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে আলাদা পরিচিতি অর্জন করেছেন এ কুল চাষে।

এতে মৌসুমে তার লাগানো উন্নত জাতের আপেল কুল ও বল সুন্দরী কুলের বাম্পার ফলনে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গাছগুলোতে ইতোমধ্যে আশানুরূপ ও মানসম্মত ফলন দেখা গেছে। সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, উন্নত পরিচর্যা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে তার বাগানের কুল আকারে বড় এবং গুণগত মানে উন্নত হয়েছে।

এ বছর তিনি প্রায় সাড়ে ৫ একর জমিতে ১৫ শতাধিক চার ধরনের যেমন আপেল কুল,বলসুন্দরী, কাশ্মীরি কুল, ভরত কুলগাছ চাষ করেছেন। এ কুলচাষে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে।তিনি এবছর ধাপে ধাপে এই চার প্রকারের কুল কেজি ১৪০ টাকা দরে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৮ টন বিক্রি করেছেন ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এবছর রাসেল মৃধা লিজ নেয়া জমিতে ৫ বছর ধরে কৃষিকাজের সাথে যুক্ত। এর আগে ফলজের চাষ করলেও সফলতার মুখ দেখতে পারেননি। তাই তিনি যেন ব্যর্থতার মাঝেই সফলতা খুজে পেয়েছেন।কুলের পাশাপাশি অল্প সংখ্যক কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমী ফল পরিক্ষামুলক ভাবে চাষ করে আসছেন। আধুনিক ও পরিকল্পিত ফল চাষের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন সফল কৃষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

কুল চাষে রাসেল মৃধার বাগানে বর্তমানে ৯ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, রাসেল মৃধা সাফল্য দেখে তারা নতুন করে ফল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার বাগান পরিদর্শন করে চাষাবাদের কৌশল সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন।

একজন উদ্দ্যোগক্তা ও কুল চাষী রাসেল মৃধা বলেন, পরিশ্রম ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে কৃষিকাজেও ভালো সফলতা অর্জন করা সম্ভব। ভবিষ্যতে আরও নতুন জাতের ফল চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। আরো বলেন, এবছর সারে ৫ একর (৫৫০ শতাংশ)সরল জমিতে কুল চাষ করেছি। এতে আমি ৬ টাকা খরচ হয়েছে। প্রথমধাপে কুল বিক্রি করেছি সাড়ে ৮টন। ১৪০ টাকা কেজি দরে এখন পর্যন্ত ৮ টন বিক্রি করেছি।তারপর আরো ১০ মন এর মত বিক্রি করেছি।এরকম কুল চাষে সুফল পাওয়া গেলে ও এ কুল চাষ করার উদ্যোগ ও আগ্রহ থাকবে।

আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ রাসেল মিয়া জানান, এ বছর আমতলীতে ২৬ হেক্টর জমিতে চার জাতীয় কুলের চাষ করা হয়েছে। এবং আমাদের উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা দেয়ার জন্য সব সময় সচেষ্ট থাকি।

গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা

আমতলীতে কুল চাষে ব্যাপক সফলতার দারপ্রান্তে চাষী রাসেল মৃধা, তিনি যেন ব্যর্থতার মাঝেই সফলতা খুজে পেয়েছেন।

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • সোহেল ফরাজী,আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া গ্রামের কৃষক মো.আবুবকর সিদ্দিক রাসেল মৃধা কুল চাষে ব্যতিক্রমী সাফল্য দেখিয়ে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তাই তিনি যেন বারবার ফলজ চাষে ব্যর্থ হয়ে নতুন করে ব্যর্থতার মাঝেই সফলতা খুজে পেয়েছেন।এ এক ফলজের অন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তিনি আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের বাইনবুনিয়া গ্রামের সন্তান মো. জালাল মৃধার ছেলে মো. রাসেল মৃধা পারিবারিকভাবে কৃষিকাজে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে আলাদা পরিচিতি অর্জন করেছেন এ কুল চাষে।

এতে মৌসুমে তার লাগানো উন্নত জাতের আপেল কুল ও বল সুন্দরী কুলের বাম্পার ফলনে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গাছগুলোতে ইতোমধ্যে আশানুরূপ ও মানসম্মত ফলন দেখা গেছে। সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, উন্নত পরিচর্যা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে তার বাগানের কুল আকারে বড় এবং গুণগত মানে উন্নত হয়েছে।

এ বছর তিনি প্রায় সাড়ে ৫ একর জমিতে ১৫ শতাধিক চার ধরনের যেমন আপেল কুল,বলসুন্দরী, কাশ্মীরি কুল, ভরত কুলগাছ চাষ করেছেন। এ কুলচাষে ৬ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে।তিনি এবছর ধাপে ধাপে এই চার প্রকারের কুল কেজি ১৪০ টাকা দরে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৮ টন বিক্রি করেছেন ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এবছর রাসেল মৃধা লিজ নেয়া জমিতে ৫ বছর ধরে কৃষিকাজের সাথে যুক্ত। এর আগে ফলজের চাষ করলেও সফলতার মুখ দেখতে পারেননি। তাই তিনি যেন ব্যর্থতার মাঝেই সফলতা খুজে পেয়েছেন।কুলের পাশাপাশি অল্প সংখ্যক কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমী ফল পরিক্ষামুলক ভাবে চাষ করে আসছেন। আধুনিক ও পরিকল্পিত ফল চাষের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন সফল কৃষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

কুল চাষে রাসেল মৃধার বাগানে বর্তমানে ৯ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, রাসেল মৃধা সাফল্য দেখে তারা নতুন করে ফল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার বাগান পরিদর্শন করে চাষাবাদের কৌশল সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন।

একজন উদ্দ্যোগক্তা ও কুল চাষী রাসেল মৃধা বলেন, পরিশ্রম ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে কৃষিকাজেও ভালো সফলতা অর্জন করা সম্ভব। ভবিষ্যতে আরও নতুন জাতের ফল চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। আরো বলেন, এবছর সারে ৫ একর (৫৫০ শতাংশ)সরল জমিতে কুল চাষ করেছি। এতে আমি ৬ টাকা খরচ হয়েছে। প্রথমধাপে কুল বিক্রি করেছি সাড়ে ৮টন। ১৪০ টাকা কেজি দরে এখন পর্যন্ত ৮ টন বিক্রি করেছি।তারপর আরো ১০ মন এর মত বিক্রি করেছি।এরকম কুল চাষে সুফল পাওয়া গেলে ও এ কুল চাষ করার উদ্যোগ ও আগ্রহ থাকবে।

আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ রাসেল মিয়া জানান, এ বছর আমতলীতে ২৬ হেক্টর জমিতে চার জাতীয় কুলের চাষ করা হয়েছে। এবং আমাদের উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা দেয়ার জন্য সব সময় সচেষ্ট থাকি।