ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
কাগজের ডাক:
Logo গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা Logo গলাচিপায় দখলে ব্যর্থ হয়ে জমির মালিককে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার Logo গলাচিপার চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে ইউপিবাসীর জীবনমান Logo নদীভাঙনে হুমকির মুখে পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo গোলখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ(পানি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগ, তদন্ত শুরু) Logo কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওসি বাদলের হয়রানী Logo রাঙ্গাবালীতে সবজি বাগান নষ্ট কর নিয়ে হামলা, আহত এক Logo গলাচিপায় সাবেক সেনাসদস্যকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

বর্ষাকালে ক্ষই খাওয়ার কদর হারিয়ে যাচ্ছে, হারাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য

  • Kagojer Dak
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: এক সময় বর্ষার দিন এলেই গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে ক্ষই খাওয়ার ধুম পড়ে যেত। মুড়ি, ক্ষই ও গুড় কিংবা নারকেলের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবারের সবাই মিলে খাওয়ার সেই চিরচেনা দৃশ্য এখন আর তেমন দেখা যায় না। আধুনিক খাবারের দাপটে বর্ষাকালের এই ঐতিহ্যবাহী খাবারটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য, আগে বর্ষার দিনে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে বিকেলের নাশতায় ক্ষই ছিল পরিবারের সবার পছন্দের খাবার। বাড়িতে অতিথি এলে ক্ষই ও গুড় দিয়ে আপ্যায়নও ছিল একটি প্রচলিত রীতি। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফাস্টফুড, বিস্কুট, চিপসসহ নানা ধরনের প্যাকেটজাত খাবারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষইয়ের কদর অনেকটাই কমে গেছে।
আমতলী উপজেলার গোজখালীর বাসিন্দা মো. রফিক আকন জানান, বর্তমানে খুব কম পরিবারই নিয়মিত ক্ষই কিনে বা তৈরি করে। নতুন প্রজন্মের অনেকেই ক্ষইয়ের স্বাদ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত নয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে ক্ষইয়ের বিক্রি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়লেও এখন সেই চাহিদা আর নেই। ফলে অনেকেই ক্ষই তৈরি বা বিক্রি করা ছেড়ে দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও সহজপাচ্য এই ঐতিহ্যবাহী খাবারকে টিকিয়ে রাখতে পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণে সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাহলেই বর্ষাকালের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ক্ষই খাওয়ার পুরোনো ঐতিহ্য আবারও নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরে আসতে পারে।

গলাচিপায় গজালিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয়রা

বর্ষাকালে ক্ষই খাওয়ার কদর হারিয়ে যাচ্ছে, হারাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: এক সময় বর্ষার দিন এলেই গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে ক্ষই খাওয়ার ধুম পড়ে যেত। মুড়ি, ক্ষই ও গুড় কিংবা নারকেলের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবারের সবাই মিলে খাওয়ার সেই চিরচেনা দৃশ্য এখন আর তেমন দেখা যায় না। আধুনিক খাবারের দাপটে বর্ষাকালের এই ঐতিহ্যবাহী খাবারটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য, আগে বর্ষার দিনে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে বিকেলের নাশতায় ক্ষই ছিল পরিবারের সবার পছন্দের খাবার। বাড়িতে অতিথি এলে ক্ষই ও গুড় দিয়ে আপ্যায়নও ছিল একটি প্রচলিত রীতি। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফাস্টফুড, বিস্কুট, চিপসসহ নানা ধরনের প্যাকেটজাত খাবারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষইয়ের কদর অনেকটাই কমে গেছে।
আমতলী উপজেলার গোজখালীর বাসিন্দা মো. রফিক আকন জানান, বর্তমানে খুব কম পরিবারই নিয়মিত ক্ষই কিনে বা তৈরি করে। নতুন প্রজন্মের অনেকেই ক্ষইয়ের স্বাদ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত নয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে ক্ষইয়ের বিক্রি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়লেও এখন সেই চাহিদা আর নেই। ফলে অনেকেই ক্ষই তৈরি বা বিক্রি করা ছেড়ে দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও সহজপাচ্য এই ঐতিহ্যবাহী খাবারকে টিকিয়ে রাখতে পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণে সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাহলেই বর্ষাকালের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ক্ষই খাওয়ার পুরোনো ঐতিহ্য আবারও নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরে আসতে পারে।