ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo চরমোনতাজে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা!   Logo চট্টগ্রাম থেকে গলাচিপার সজীব নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার Logo গলাচিপায় বাবা দিনমজুর, জিপিএ-৫ পেয়েও অর্থেরঅভাবে অনিশ্চিত ফারজানার পড়ালেখা Logo আমতলীর ইউএনও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্সংস্থান খাল খনন প্রকল্পের  শ্রমিকদের টাকা না দিয়ে তা   সরকারী কোষাগারে  ফেরত দেখালেন, শুধু নাম ফোটাতে  Logo গলাচিপায় অস্তিত্ব হারানো খাল উদ্ধারের উদ্যোগ Logo যৌতুকের দাবিতে বাকপ্রতিবন্ধী স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, পটুয়াখালী আদালতে মামলা Logo আমতলীতে গুলিশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের নেতা মনির ঘরামীকে যুবদল সভাপতি হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সমর্থকেরা Logo আমতলীতে অচলাবস্থা নিরসনে বাস,মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমিটি গঠনে সাধারন সভা অনুষ্ঠিত। Logo বর্ষাকালে ক্ষই খাওয়ার কদর হারিয়ে যাচ্ছে, হারাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য Logo আমতলীতে টানা ৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির,৩ নম্বর সতর্ক সংকেত।
কাগজের ডাক:
Logo চরমোনতাজে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা!   Logo চট্টগ্রাম থেকে গলাচিপার সজীব নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার Logo গলাচিপায় বাবা দিনমজুর, জিপিএ-৫ পেয়েও অর্থেরঅভাবে অনিশ্চিত ফারজানার পড়ালেখা Logo আমতলীর ইউএনও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্সংস্থান খাল খনন প্রকল্পের  শ্রমিকদের টাকা না দিয়ে তা   সরকারী কোষাগারে  ফেরত দেখালেন, শুধু নাম ফোটাতে  Logo গলাচিপায় অস্তিত্ব হারানো খাল উদ্ধারের উদ্যোগ Logo যৌতুকের দাবিতে বাকপ্রতিবন্ধী স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, পটুয়াখালী আদালতে মামলা Logo আমতলীতে গুলিশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের নেতা মনির ঘরামীকে যুবদল সভাপতি হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সমর্থকেরা Logo আমতলীতে অচলাবস্থা নিরসনে বাস,মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমিটি গঠনে সাধারন সভা অনুষ্ঠিত। Logo বর্ষাকালে ক্ষই খাওয়ার কদর হারিয়ে যাচ্ছে, হারাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য Logo আমতলীতে টানা ৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির,৩ নম্বর সতর্ক সংকেত।

গলাচিপায় অস্তিত্ব হারানো খাল উদ্ধারের উদ্যোগ

  • Kagojer Dak
  • আপডেট সময় : ০৬:২৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪১৫ বার পড়া হয়েছে
  • সঞ্জিব দাস, গলাচিপা থেকে:

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার ভরাট হওয়া খাল খনন করা হচ্ছে।
গলাচিপা পৌরসভার, গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর বাজার, ডাকুয়া ইউনিয়ন, রতনদী তালতলি ইউনিয়ন ইউনিয়নের তিনটি ইউনিয়ন ও গলাচিপা পৌরসভার প্রাণের স্পন্দন এই খালটি। একসময় এই খালে নৌকা চলত। খালের পানি মানুষ নানা কাজে ব্যবহার করত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে খালটি অস্তিত্ব হারায়। সম্প্রতি খালটি উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রসাশন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ গুলো। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গলাচিপা পৌরসভা থেকে খালটি উলানিয়া বাজার পর্যন্ত। একসময় নৌকা,টলার চলাচল করত এই খালে। কিন্তু বছরের পর বছর স্থানীয় লোকজন খালের দুই পাড় দখল করতে শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দোকান ঘর,বাড়ি, রিস্কার গ্রেস, পানের বর গড়ে তোলা হয়। একসময় খালটির অস্তিত্ব হারিয়ে যায়।
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় পৌরসভা থেকে কালিকাপুর কালভার্ট পযন্ত খালের অস্তিত্ব চোখে পড়ে। ডাকুয়া গ্রামের ফেরজা বেগম বলেন, ‘একসময় এই খালে নৌকা চলত। স্থানীয় লোকজন নানা গৃহস্থালি কাজে এর পানি ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন সেই খাল দেখে বোঝা মুশকিল, এটা খাল না খণ্ড খণ্ড ডোবা।’খালটি খনন করা অতিব জরুরী।

গলাচিপা পৌরসভা এলাকার শংকর দাস বলেন, ‘দখলমুক্ত করে খাল খননের জন্য আমরা অনেক বছর ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু আগের কোনো এমপি ও মেয়র উদ্যোগ নেননি। বর্তমান প্রশাসন ও চেয়ারম্যান উদ্যোগ নিয়েছেন। দেখা যাক, তিনি কতটা পারেন।’ গলাচিপা সদর ইউনিয়ন কালিকাপুর বাজারের দোকানদার জাকির হোসেন বলেন, এই খালটি আমাদের দরকার অগ্নিকাণ্ডের জন্য এই খালটি অনেক উপকারে আসবে। রতনদী তালতলি ইউনিয়ন বাসিন্দা রেজাউল করিম হাওলাদার বলেন, খালতি খনন করা হলে খালের পানি আমরা সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারব। মোস্তাফিজুর রহমান খন্দকার বলেন, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমির সদয় দৃষ্টি কামনা করেন যাতে কালিকাপুর কালভার্ট থেকে মাটিভাংগা পর্যন্ত অতি দ্রুত খাঁটি খনন করা হয়। খালতি খনন করা হলে ডাকুয়া ইউনিয়ন রতনদি তালতলী ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নের প্রাণ ফিরে পাবে। কালিকাপুর বাজার ব্যবসায়ী মিঠু খন্দকার বলেন, এই খালের দুপারে
মাইকিং করা হয়েছে। এরপরও তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। খাল খনন করতে গিয়ে দখলদারদের নানা বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে ঠিকাদারদের। তাই নানা কৌশলে দখলদারদের উচ্ছেদ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের জন্য খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো খালটি খনন করা গেলে দুর্ভোগ অনেক কমে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চরমোনতাজে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা!  

গলাচিপায় অস্তিত্ব হারানো খাল উদ্ধারের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৬:২৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • সঞ্জিব দাস, গলাচিপা থেকে:

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার ভরাট হওয়া খাল খনন করা হচ্ছে।
গলাচিপা পৌরসভার, গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর বাজার, ডাকুয়া ইউনিয়ন, রতনদী তালতলি ইউনিয়ন ইউনিয়নের তিনটি ইউনিয়ন ও গলাচিপা পৌরসভার প্রাণের স্পন্দন এই খালটি। একসময় এই খালে নৌকা চলত। খালের পানি মানুষ নানা কাজে ব্যবহার করত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে খালটি অস্তিত্ব হারায়। সম্প্রতি খালটি উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রসাশন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ গুলো। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গলাচিপা পৌরসভা থেকে খালটি উলানিয়া বাজার পর্যন্ত। একসময় নৌকা,টলার চলাচল করত এই খালে। কিন্তু বছরের পর বছর স্থানীয় লোকজন খালের দুই পাড় দখল করতে শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দোকান ঘর,বাড়ি, রিস্কার গ্রেস, পানের বর গড়ে তোলা হয়। একসময় খালটির অস্তিত্ব হারিয়ে যায়।
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় পৌরসভা থেকে কালিকাপুর কালভার্ট পযন্ত খালের অস্তিত্ব চোখে পড়ে। ডাকুয়া গ্রামের ফেরজা বেগম বলেন, ‘একসময় এই খালে নৌকা চলত। স্থানীয় লোকজন নানা গৃহস্থালি কাজে এর পানি ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন সেই খাল দেখে বোঝা মুশকিল, এটা খাল না খণ্ড খণ্ড ডোবা।’খালটি খনন করা অতিব জরুরী।

গলাচিপা পৌরসভা এলাকার শংকর দাস বলেন, ‘দখলমুক্ত করে খাল খননের জন্য আমরা অনেক বছর ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু আগের কোনো এমপি ও মেয়র উদ্যোগ নেননি। বর্তমান প্রশাসন ও চেয়ারম্যান উদ্যোগ নিয়েছেন। দেখা যাক, তিনি কতটা পারেন।’ গলাচিপা সদর ইউনিয়ন কালিকাপুর বাজারের দোকানদার জাকির হোসেন বলেন, এই খালটি আমাদের দরকার অগ্নিকাণ্ডের জন্য এই খালটি অনেক উপকারে আসবে। রতনদী তালতলি ইউনিয়ন বাসিন্দা রেজাউল করিম হাওলাদার বলেন, খালতি খনন করা হলে খালের পানি আমরা সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারব। মোস্তাফিজুর রহমান খন্দকার বলেন, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমির সদয় দৃষ্টি কামনা করেন যাতে কালিকাপুর কালভার্ট থেকে মাটিভাংগা পর্যন্ত অতি দ্রুত খাঁটি খনন করা হয়। খালতি খনন করা হলে ডাকুয়া ইউনিয়ন রতনদি তালতলী ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নের প্রাণ ফিরে পাবে। কালিকাপুর বাজার ব্যবসায়ী মিঠু খন্দকার বলেন, এই খালের দুপারে
মাইকিং করা হয়েছে। এরপরও তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। খাল খনন করতে গিয়ে দখলদারদের নানা বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে ঠিকাদারদের। তাই নানা কৌশলে দখলদারদের উচ্ছেদ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের জন্য খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো খালটি খনন করা গেলে দুর্ভোগ অনেক কমে যাবে।